পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অজানা রহস্য ও আশ্চর্য ঘটনা কথা বললেই WhatsApp মেসেজ টাইপিং! বাংলায় কী ভাবে করবেন? কি মজা তাই না বলুন? আজকে আমরা এই জিনিসটাই জানি কিভাবে কথা বললে পরে টাইপ হয় পুরো বিষয়টি ভালো হবে পড়বেন তাহলেই বিষয়টি আপনাদের কাছে সহজ হয়ে উঠবে । https://ranjitthakurtech.com WhatsApp Voice Typing: হোয়াটসঅ্যাপে আপনি যা বলবেন, তা-ই ভয়েস টাইপিং হিসেবে মেসেজে লেখা হবে। ফলে, আপনার ঘণ্টার পর ঘণ্টা চ্যাটের জন্য সময় খরচ আর করতে হবে না। কী ভাবে এই ফিচার ব্যবহার করবেন, জেনে নিন। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সারাদিন WhatsApp মেসেজ টাইপ করার জন্য অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করে থাকেন। কিন্তু, ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমেও যে WhatsApp মেসেজ টাইপিং করা যায়, তা জানা নেই অনেকেরই। ভয়েস মেসেজ নয়, বরং ডিকটেশনের মাধ্যমে টাইপিংয়ের উপায় আজ আমরা জেনে নেব। তার জন্য কি-বোর্ডের ডান দিকে উপরে মাইক্রোফোন অপশন সিলেক্ট করতে হবে। তবে শুধুমাত্র ইংরাজি নয়, ভয়েস টাইপিং সাপোর্ট করবে বাংলা, হিন্দি ও অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষাতেও। তাতে আপনাকে শুধুমাত্র কি-বোর্ডের ভাষা বদল করতে হবে। Android ও iOS ডিভাইস থেকে Google Keyboard এর মাধ্যমে এই ফিচার ব্যবহার করা সম্ভব WhatsApp ভয়েস মেসেজ পাঠানোর জন্য যাকে মেসেজ পাঠাবেন, সেই কন্ট্যাক্ট সিলেক্ট করুন। এবার টাইপিংয়ের জন্য ডিসপ্লের নীচে নির্দিষ্ট জায়গায় ট্যাপ করলে Google Keyboard ওপেন হবে। এই কি-বোর্ডের মাধ্যমে টাইপিং শুরু না করে, ডান দিকে উপরে মাইক্রোফোন বাটনে ট্যাপ করে মুখে মেসেজ বলতে শুরু করুন। iOS ডিভাইসে কিবোর্ডে ভয়েস টাইপিংয়ের জন্য মাইক্রোফোন বাটন ডিসপ্লের ডান দিকে নীচে থাকবে । WhatsApp এ ভয়েস মেসেজ পাঠাবেন কী ভাবে? * স্মার্টফোনে WhatsApp ওপেন করুন। * ব্যক্তিগত অথবা গ্রুপ চ্যাট ওপেন করুন। * মেসেজ বক্স সিলেক্ট করুন। * এবার কি-বোর্ডের মাইক্রোফোন অপশন সিলেক্ট করে, হোল্ড করে কথা বলতে শুরু করুন। * রেকর্ডিং শেষ হলে মাইক্রোফোন অপশন ছেড়ে দিন। টাইপ হওয়া মেসেজ একবার পড়ে সেন্ড করে দিন। * এইভাবে শুধুমাত্র WhatsApp নয়, Gmail, Telegram, Facebook সহ যে কোন অ্যাপে ভয়েস টাইপ করা যাবে। তবে ভয়েস টাইপিংয়ের সময় বাক্যের মধ্যে দাড়ি, কমা বসাতে সমস্যা হতে পারে । ভয়েস টাইপিংয়ের সময় বাক্যে দাড়ি, কমা দেবেন কী ভাবে? '।', ',' ইত্যাদি চিহ্ন বসানোর জন্য রয়েছে বিশেষ উপায়। তার জন্য ভয়েস টাইপিংয়ের ক্ষেত্রে ফুল স্টপ দেওয়ার সময় (.) Period বলতে হবে। অন্যদিকে কমা (,) হাইফেন (-) ইত্যাদি চিহ্ন বাক্যের মধ্যে নাম করে বললেই, সেই চিহ্ন বাক্যের মধ্যে যুক্ত হয়ে যাবে। আপনারা কি কি জানতে চান বিষয়টি কমেন্ট বক্সে লিখুন অথবা nabagramranjit@gmail.com লিখুন।

ছবি

অজানা রহস্য ও আশ্চর্য ঘটনা https://ranjitthakurtech.blogspot.com মাত্র চার বছর আগে সমুদ্রের জল থেকে উঠে এসেছিল দ্বীপটি। তাকে ঘিরে দেখা দিয়েছে বিস্তর রহস্য। রহস্যময় এই দ্বীপকে নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন বিজ্ঞানীরাও। https://ranjitthakurtech.blogspot.com ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে স্যাটেলাইট মারফত বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, প্রশান্ত মহাসাগরের টোঙ্গার কাছে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সেখানে একটি দ্বীপ জেগে উঠছে। ২০১৫ সালের জানুয়ারি নাগাদ অগ্ন্যুৎপাত শেষ হয়। দেখা যায়, হুঙ্গা টোঙ্গা ও হুঙ্গা হা’আপেই নামের দু’টি পুরনো দ্বীপের মাঝখানে এই নতুন দ্বীপ জেগে উঠেছে। https://ranjitthakurtech.blogspot.com দ্বীপটি সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধানের জন্য ড্যান স্লেব্যাক নামের এক বিজ্ঞানী নাসা থেকে রিমোট সেন্সিং ডেটা ব্যবহার করে এই অগ্ন্যুৎপাত লক্ষ্য করছিলেন। তিনি সশরীরে দ্বীপটি দেখতে চান। https://ranjitthakurtech.blogspot.com তিনি জানান, এটি এক আশ্চর্য দ্বীপ। সাধারণত এই ধরনের দ্বীপ কয়েক মাস জেগে থাকে। তার পরে তা সমুদ্রে তলিয়ে যায়। কিন্তু এই দ্বীপটি টিকে থাকে চার বছর। গত দেড় শ’ বছরে এই জাতীয় কোনো দ্বীপ এতদিন টিকে থাকেনি। https://ranjitthakurtech.blogspot.com গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিজ্ঞানীরা দ্বীপে পা রাখেন। স্যাটেলাইট চিত্র থেকে তারা দ্বীপটির যেমন পরিচয় পেয়েছিলেন, দ্বীপটি তেমন নয়। এর উত্থান ভৌগোলিকভাবে বেশ বিস্ময়কর। তারা সেখানকার মাটি ও অন্যান্য নমুনা নিয়ে নাসায় ফিরে যান। https://ranjitthakurtech.blogspot.com কেন এই দ্বীপের প্রতি বিজ্ঞানীরা এত আগ্রহী? এ প্রসঙ্গে স্লেব্যাক জানিয়েছেন, দ্বীপটি থেকে তারা মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য পেতে পারবেন। শুনতে অবাক লাগলেও কথাটা সত্য। বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গলে যখন জল ছিল, তখন এই ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট দ্বীপ সেখানেও ছিল। পৃথিবীর এই দ্বীপটি সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধানে মঙ্গলের জলশূন্য হয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানা যেতে পারে। কি যাবেন নাকি এই দ্বীপে? https://ranjitthakurtech.blogspot.com আমদের আর একটি ওয়েবসাইট হল । www.nabagramranjit.blogspot.com

ছবি

অজানা রহস্য ও আশ্চর্য ঘটনা https://ranjitthakurtech.blogspot.com অজানা রহস্য ও আশ্চর্য ঘটনা যা আজও পর্যন্ত রহস্যই থেকে গিয়েছে ।আসুন আমরা আজ পৃথিবীতে চারটি রহস্যের ঘটনার কথা জানি । https://ranjitthakurtech.blogspot.com সব রহস্যেরই কি ব্যাখ্যা হয়? হয় না বোধহয়। তাই পৃথিবীতেই এমন কিছু ঘটনা ঘটে গিয়েছে, বিজ্ঞান যার কোনও ব্যাখ্যা আজ পর্যন্ত দিতে পারেনি। ফলে শুধু রহস্যে আবৃত হয়েই থেকে গিয়েছে সেইসব ঘটনা। আধুনিক যুগে বাস আমাদের। যে কোন ঘটনাকে বিশ্বাস করতে আমাদের প্রয়োজন হয় প্রমাণের। শুধু তাই নয়, পার্থিব সব কিছুরই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়। তা অবশ্য ভুল নয়। এমনকী বিশ্বাস আর বিজ্ঞানে কোনও সংঘাতও নেই সবসময়। তবে এমন অনেক ঘটনা ঘটে, ঘটে গিয়েছে এই পৃথিবীতেই, যার পূর্ণ বা কিছুটা ব্যাখ্যা দিতেও অপারগ হয়েছে বিজ্ঞান। পরীক্ষানিরীক্ষা, বিশেষজ্ঞের মতামত পেরিয়ে সেই সব ঘটনা শুধু জন্ম দিয়ে গিয়েছে রহস্যের। যে সে রহস্য নয়, বহু চেষ্টা করেও যে রহস্যগুলির কোনও কূলকিনাড়া খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকী সব ঘটনাই যে ঘটেছে বহু আগে, তেমনও কিন্তু নয়। অনেক আছে বেশ সাম্প্রতিকও। প্রকৃতির অনেককিছুই আসলে রহস্যে ঢাকা। নিজেকে সে আগলে রাখে নানা ধরনের রহস্য দিয়ে। কিছু রহস্যের সমাধান মানুষ করতে পারে। কিছু রহস্য অমীমাংসিতই থেকে যায় আজীবন। আজ তেমনই পাঁচটি রহস্যের কথা রইল আপনাদের জন্যে, যে রহস্যের কোনও সমাধানই করা ওঠা গেল না আজ পর্যন্ত। https://ranjitthakurtech.blogspot.com ১। রহস্য ঘটনা আজকের নয়। সেই দ্বাদশ শতাব্দীর। ইংল্যান্ডের উলপিট এলাকা। সেখানে হঠাতই একজোড়া ভাই বোনের এসে উদয় হল। অবাক হওয়ার বিষয় হল, এরা সবদিক থেকেই আলাদা। সাধারণ মানুষের মতো ছিল দেখতে ছিল বটে, তবে তাদের গায়ের রং ছিল অস্বাভাবিক সবুজ রঙের। দুই ভাই-বোনের কথাও কেউ বুঝত না। কারণ তাঁরা অজানা এক ভাষায় কথা বলত, পোশাকও ছিল অদ্ভূত। আর খাবার? খেত কেবল কাঁচা শিম। কিছুদিন পরই অবশ্য ভাইটি মারা যায়, বেঁচে থাকে বোন। মেয়েটিকে ধীরেধীরে ইংরেজি ভাষা শেখানো হয়। খাওয়ানো হয় অন্যান্য খাবারও। ধীরে-ধীরে মেয়েটির গায়ের সবুজ রং পরিবর্তন হতে শুরু করে। বাকিদের সে জানায়, দুই ভাই-বোন সেন্ট মার্টিন্স ল্যান্ড থেকে এসেছে। তার কথায়, সেন্ট মার্টিন্স হল মাটির নিচে থাকা এক রাজ্য, যেখানে সবার গায়ের রং সবুজ। অনেকেই তার কথা বিশ্বাস করেনি, বহু বিশেষজ্ঞও এই ভাই-বোনের পুরনো জীবন সম্বন্ধে খোঁজ চালিয়েছিলেন, কিন্তু কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়নি। অনেকেই আবার তাদের ভিনগ্রহের প্রাণী বলে মনে করেছিলেন। কিন্তু রহস্যের কোনও সমাধান হয়নি। https://ranjitthakurtech.blogspot.com ২য় । রহস্য এই ঘটনাও বহু পুরনো। ১৫১৮ সাল, জুলাই মাস। ফ্রান্সের স্ট্রসবার্গে মিসেস ত্রোফফেয়া নামের এক নারী হঠাৎ নাচতে শুরু করেন। তারপর সেখানে উপস্থিত সকলেই নাচতে শুরু করেন। কিছুতেই তাঁদের নাচ থামছিল না। এক সপ্তাহ পর আরও বহু মানুষ সেই নাচের সঙ্গে যোগ দেয়। এক মাস পর শত-শত মানুষ সেই অবিরাম নাচে যোগ দেয়। অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন কেউ-কেউ। বাকিরা ফের নাচতে শুরু করেছেন। শহরের তৎকালীন শাসকরা ভাবলেন, এ ভাবে অবিরত নাচতে দিলে নিশ্চয়ই ক্লান্ত হয়ে নাচ থেমে যাবে সকলের। তাই তাঁরা শহরের টাউনহলে সমস্ত মানুষের নাচার ব্যবস্থা করে দিলেন। যাদের মধ্যে ক্লান্তি, হার্ট অ্যাটাক ও উচ্চ রক্তচাপে প্রাণ হারায় প্রায় ৪০০ জন মানুষ। মাসের পর মাস অবিরাম নাচতে থাকা কোনো ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব নয়। কিন্তু কেন শুরু হয়েছিল সেই নাচ, আর পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি। যদিও অনেকে দাবি করেন, বহু দিন ধরে অন্ধকার ও বদ্ধ ঘরে জল আর পাঁউরুটি খাইয়ে রাখার পর বাইরে ছেড়ে দেওয়া হয় কিছু ব্যক্তিকে। তাঁদের মধ্যেই এই নাচের ঝোঁক দেখা যায়। https://ranjitthakurtech.blogspot.com ৩য় । রহস্য এই ঘটনা কিন্তু একেবারেই সাম্প্রতিক। মানে ২০১৪ সালের। এখনও প্রায় সকলেরই মনে থাকার কথা। মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০। ৮ মার্চ, ২০১৪। মালয়েশিয়া থেকে বেজিং যাচ্ছিল বিমানটি। ছিলেন ২২৭ জন যাত্রী এবং ১২ জন ক্রু। বিমানের ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে চালকের শেষ ভয়েস কানেকশন ঘটে টেক অফের এক ঘণ্টা পর এবং তারপরই রাডার থেকে নিখোঁজ হয় কয়েক মিনিটের কম সময়ের মধ্যে। মালয়েশিয়ার সামরিক রাডারটি প্রায় এক ঘণ্টার পর বিমানটি ট্র্যাক করে যখন আন্দামান সাগর পর্যন্ত রাডারের মধ্যে ছিল বিমানটি। অথচ বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার আগে পর্যন্ত কোনও সংকটের সংকেত, খারাপ আবহাওয়ার সতর্কবাণী বা প্রযুক্তিগত কোন সমস্যার কথা বলাই হয়নি। অনেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, ভারত মহাসাগরেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে এই বিমানটি। সেই অনুযায়ী দীর্ঘ অনুসন্ধান চালানো হয়। কিন্তু বিমানের সামান্য কোনও ধ্বংসাবশেষও পাওয়া যায়নি। তাহলে কোথায় গেল বিমানটি? আজও তা জানা যায়নি। https://ranjitthakurtech.blogspot.com ৪র্থ।রহস্য ১৯৬০ সাল নাগাদ এই ঘটনা। বিশেষত কানাডা, নিউ ম্যাক্সিকো, স্কটল্যান্ড, নিউ জিল্যান্ড-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ অনেকেই এক অদ্ভূত শব্দ শুনতে শুরু করেন। অনেকটা যেন গাড়ির ইঞ্জিন চলার মতো শব্দ। এমন সে শব্দ, কানে তুলো গুঁজে রাখলেও শোনা যেত, কিন্তু সব মানুষ সেই আওয়াজ শুনতে পেতেন না। শব্দটির নামকরণ করা হয় দ্য হাম। জানা যায়, শতকরা মাত্র ২ ভাগ মানুষ 'হাম' শুনতে পেতেন। সাধারণত বাড়ির ভিতরে থাকার সময় এবং গভীর রাতে হামের আওয়াজ আরও জোরে শোনা যেত বলে জানিয়েছেন সেই সব মানুষরা। হামের কারণে মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা কিংবা অতিপ্রাকৃত ব্যখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বিস্তর। এমনকী পাথরে পরিণত হওয়া হিপ্পিদের কান্না, জনগণের চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে সরকারের কূটকৌশল, মাটির নিচে থাকা ভিনগ্রহীদের যান UFO-এর ইঞ্জিনের শব্দ বলেও অভিহিত করা হয় 'হাম'কে। কিন্তু আজ পর্যন্ত ওই শব্দের কোনও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা বা কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। অজানা রহস্য ও আশ্চর্য ঘটনা পৃথিবীতে আজও ঘটে । আমরা যতই আধুনিক হই । আমরা মাঝে মাঝে ভুলে যাই । মহাকালের কাছ থেকে কিছু টা সময় ধার নিয়ে এই পৃথিবীলোকে প্রবেশ করেছি । যদি লেখাটি ভালো লাগে তাহলে আপনারা শেয়ার করবেন । ইমেল thakurranjit146@gmail.com. https://ranjitthakurtech.blogspot.com অজানা রহস্য ও আশ্চর্য ঘটনা যা আজও অমীমাংসিত থেকে গিয়েছে । আমার আর একটি ওয়েবসাইট হল https://nabagramranjit.blogspot.com

ছবি